Tavino AI

জায়গা

বাসা। স্কুল। অফিস। আর পৌঁছানোর সেই মুহূর্ত।

পরিবার যেসব জায়গায় যাতায়াত করে সেগুলোর নাম দিয়ে রাখুন। পৌঁছানোটা সেই মানচিত্রেই দেখা যায় যেটা আপনারা এমনিতেই ভাগ করে নেন — কাউকে জিজ্ঞেস করতে হয় না।

  • বাসা
  • স্কুল
  • অফিস
  • হাসপাতাল
  • প্রিয় কোণ
সংরক্ষিত জায়গা আর পারিবারিক মানচিত্রে পৌঁছানোর জানানোর ডেমো ঝলক

জায়গা কেন

মানচিত্রের একটা বিন্দু এমন জায়গা হয়ে ওঠে যা পরিবার চেনে।

মানচিত্র বলে কে কোথায় আছে। সেই অবস্থানের নাম দেওয়াই তাকে এমন কিছু বানায় যা গোটা পরিবার বোঝে।

রোজকার পথের নাম দিন

প্রতি সপ্তাহে ঘুরেফিরে সেই কয়েকটা জায়গাই। ওই কয়েকটার নাম দিলেই একটা সাধারণ সপ্তাহের চলন ধরা যায়।

মুহূর্তটা বুঝুন

পৌঁছানো বা বেরোনো জানানোর জন্য জায়গা সেট করা যায় — তখন অবস্থান আর নিছক বিন্দু থাকে না, গ্রুপের চেনা একটা মুহূর্ত হয়ে যায়।

একটা বার্তা কম

“পৌঁছেছ?” — এই ছোট বার্তাটা পরিবারগুলো বছরে শত শত বার পাঠায়। নাম দেওয়া জায়গা সেই উত্তরটা নিজেই বয়ে আনে।

মূল সুবিধা

প্রতিটি জায়গা কী বদলে দেয়।

প্রতিটি পরিবারের নিজের তালিকা আছে। বেশির ভাগ যেগুলো দিয়ে শুরু করে সেগুলোই এখানে, আর প্রতিটি দিনে কী যোগ করে।

বাসা

যেখানে সবাই ফিরে আসে

দিন এখানেই শুরু, এখানেই শেষ। বাসায় পৌঁছানোটাই সাধারণত সেই খবর যার জন্য বাকিরা অপেক্ষা করে।

স্কুল

যে সময়টা প্রত্যেক অভিভাবক জানেন

স্কুল বা কোচিং প্রতিটি কর্মদিবসে একই সময়ে পড়ে। সেট করে রাখলে সেই সময়টা গ্রুপ যে দিনটা এমনিতেই দেখছে তারই অংশ হয়ে যায়।

অফিস

লম্বা দিনের দুই প্রান্ত

অফিস কর্মদিবসের সকাল আর সন্ধ্যা দুটোই ধরে রাখে। বাসায় যাঁরা অপেক্ষা করেন তাঁদের চোখে সাধারণত বেরোনোর প্রান্তটাই আগে পড়ে।

হাসপাতাল

যে যাওয়াটা কেউ একা বয় না

জায়গাটা ভাগ করা থাকলে গোটা পরিবার একই প্রসঙ্গে থাকে — একই কথা দুবার বোঝাতে হয় না।

প্রিয় কোণ

পরিবারের মানচিত্রের বাকিটা

দাদা-দাদির বাড়ি, একটা পার্ক, চেনা কফি শপ। পরিবার বারবার যেখানে ফেরে, সেই জায়গারই নাম হতে পারে।

কীভাবে কাজ করে

জায়গা কীভাবে কাজ করে

চার ধাপে মানচিত্রের একটা নাম এমন কিছু হয়ে যায় যা আর জিজ্ঞেস করতে হয় না।

  1. ধাপ01

    একটা জায়গা সংরক্ষণ করুন

    মানচিত্রে অবস্থান চিহ্নিত করুন, নাম দিন, আর চারপাশের সীমা ঠিক করুন। এই সীমাই একে পাশের গলি থেকে আলাদা করে।

  2. ধাপ02

    গ্রুপের সঙ্গে ভাগ করুন

    জায়গা কোনো একটা ডিভাইসের নয়, পরিবার গ্রুপের। একই গ্রুপের সবাই একই তালিকা দেখেন, গ্রুপ যে ভাগ করার নিয়ম এমনিতেই ব্যবহার করে সেই নিয়মেই।

  3. ধাপ03

    পৌঁছানো আর বেরোনো সেট করুন

    জায়গা এমনভাবে সেট করা যায় যাতে পৌঁছানো আর বেরোনোর সময় গ্রুপ জানতে পারে — সন্তান স্কুলে পৌঁছালে, কেউ বাসায় ফিরলে, কেউ অফিস থেকে বেরোলে।

  4. ধাপ04

    না দেখেও যুক্ত থাকা

    সপ্তাহের নিজের একটা ছন্দ আছে। পরিবার সেটা ওই মানচিত্রেই দেখে যেটা তারা ভাগ করে নেয়, আর প্রশ্নটা করা কমে আসে।

পৌঁছানো বা বেরোনো ধরা পড়বে কি না, তা ডিভাইসের লোকেশন সেটিং, অনুমতি আর নেটওয়ার্কের অবস্থার উপর নির্ভর করে।

গোপনীয়তা আর আস্থা

পরিবারের জন্য বানানো, নজরদারির জন্য নয়।

জায়গা লোকেশন নিয়ে কাজ করে, তাই সীমাগুলো সুবিধার মতোই জরুরি। এই সীমাগুলোকে ঘিরেই এটা তৈরি — আর এ কারণেই পরিবার এটা যা সত্যিই করে তার উপর ভরসা রাখতে পারে।

জায়গা গ্রুপের

সংরক্ষিত জায়গা কোনো একটা ডিভাইসে নয়, পরিবার গ্রুপেই থাকে। একই গ্রুপের সদস্যরা একই তালিকা দেখেন, আর জায়গা কোনো ফোনের সঙ্গে নয়, গ্রুপের সঙ্গে চলে।

গ্রুপের ভাগ করার নিয়মই চলে

জায়গা গ্রুপের আগে থেকেই থাকা ভাগ করার নিয়মই ব্যবহার করে। পরিবার গ্রুপে যোগ দেওয়া মানে সবকিছু ভাগ করা নয়, আর জায়গা এতে নতুন কোনো ছাড় তৈরি করে না।

কী ভাগ করবেন তা যে যার নিজের সিদ্ধান্ত

লোকেশন ভাগ করা প্রত্যেকের নিজের সিদ্ধান্ত, আর মানচিত্রে কেবল সেটুকুই দেখা যায় যা গ্রুপ ভাগ করেছে। সংরক্ষিত জায়গা কেবল একটা মুহূর্ত চিহ্নিত করে; যা ভাগ করা হয়নি তা খোলে না।

পৌঁছানো কোনো নিশ্চয়তা নয়

পৌঁছানো বা বেরোনো সব পরিস্থিতিতে ধরা পড়ে না। ডিভাইস সেটিং, অনুমতি আর নেটওয়ার্ক ফলাফলে প্রভাব ফেলে, তাই জরুরি অবস্থায় জায়গার উপর ভরসা করা উচিত নয়।

রোজকার চলন, এক জায়গায়।

জায়গা অবস্থানকে অর্থ দেয়, মানচিত্র তা দেখায়, আর গ্রুপ ঠিক করে কে দেখবে — Tavino AI-তে তিনটিই এক হয়ে কাজ করে।

সেটআপের প্রশ্নের উত্তর আছে সহায়তা কেন্দ্রে, আর Tavino AI-এর পরিচিতি পুরো ছবিটা দেখায়।